গঠনতন্ত্র

আরইবি এক্স অফিসার্স এসোসিয়েশন (আরইওএ)

অনুচ্ছেদ – ১ ভূমিকা:

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর হইতে এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করিয়া যে সকল অফিসার অবসর নিয়াছেন বা ইস্তফা দিয়াছেন বা অন্য কোনভাবে বিদায় নিয়াছেন, তাঁহারা ২০২১ সাল হইতে একটি সমিতির কার্যক্রম চালাইয়া আসিতেছেন, এক্ষণে ইহাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য এই সংগঠনটি গঠন করিয়াছেন।

অনুচ্ছেদ – ২ সংগঠনের নাম:

(ক)  বাংলায়ঃ আরইবি এক্স অফিসার্স এসোসিয়েশন (আরইওএ)

(খ)   ইংরেজীতেঃ REB Ex Officers Association (REOA)

অনুচ্ছেদ – ৩ সংগঠনের ধরণ:

ইহা একটি বেসরকারী, অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক উন্নয়নমূলক মানবহিতৈষী প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করিবে।

অনুচ্ছেদ – ৪ অবস্থান ও যোগাযোগ:

এসোসিয়েশন এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত হইবে। হোয়াটস-অ্যাপ গ্রুপ (BREB Ex Officers) বা অন্য কোন অ্যাপ এর মাধ্যমে ভার্চুয়ালী বা সরাসরি পরস্পর যোগাযোগ/সভা করিবে এবং যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করিবে।

অনুচ্ছেদ – ৫ উদ্দেশ্য:

(ক)    আরইবি এর প্রাক্তন কর্মকর্তাগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা বৃদ্ধি, ভাতৃত্বমূলক মনোভাব সৃষ্টি ও বন্ধন জোরদারের কাজ করিবে।

(খ)    বছরে অন্তত একবার পুনর্মিলনী/পিকনিক আয়োজনের ব্যবস্থা করিবে।

(গ)    সদস্যগণের কল্যাণে একটি উন্নয়ন তহবিল গঠন করিবে।

(ঘ)    সদস্যগণের চাঁদা/অনুদান বা সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানের অনুদানের সাহায্যে তহবিল গঠন করিবে।

(ঙ)    আরইবি হইতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের সহজে অবসর সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সহযোগিতা করিবে।

(চ)    পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে আরইবি কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করিবে।

(ছ)    প্রাকৃতিক ও মানবিক দুর্যোগে আর্তমানবতার সেবায় অবদান রাখিবে।

 

অনুচ্ছেদ – ৬ সদস্যপদ:

(ক)    আরইবি হইতে অবসর গ্রহণ বা ইস্তফা প্রদান বা বিদায় নেওয়া যে কোন আগ্রহী কর্মকর্তা এই এসোসিয়েশনের সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ্য বিবেচিত হইবেন।

(খ)    একজন সাধারণ সদস্য নির্ধারিত ফর্ম পূরণ ও নিবন্ধন ফি বাবদ এককালীন টাকা ২০০০/- (দুই হাজার) প্রদান সাপেক্ষে আজীবন সদস্য বা Life Member (LM) হিসেবে গণ্য হইবেন।

(গ)    কেবলমাত্র আজীবন সদস্যগণই ভোটারাধিকার প্রাপ্ত হইবেন।

 

অনুচ্ছেদ – ৭ সাংগাঠনিক কাঠামো:

সংগঠনের ব্যবস্থাপনার জন্য আজীবন সদস্যগণের সমন্বয়ে ৩ (তিন) স্তরের কমিটি থাকিবে। যথাঃ

১)  নির্বাহী কমিটি, ২) উপদেষ্টা কমিটি ও ৩) সাংগঠনিক কমিটি।

 

১)      নির্বাহী কমিটিঃ নির্বাচন/সিলেকশনের তারিখে সদস্যগণের বয়স সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৭০ বছর থাকিতে হইবে। কমিটির গঠন হইবে নিম্নরূপ:

(ক) সভাপতি                                                              –   ১ জন

(খ) সহ-সভাপতি                                                         –  ১ জন

(গ) সাধারণ সম্পাদক                                                  – ১ জন

(ঘ) সহ- সাধারণ সম্পাদক                                          – ১ জন

(ঙ) সাংগঠনিক সম্পাদক                                          –  ১ জন

(চ) কোষাধ্যক্ষ                                                            –  ১ জন

(ছ) সহ-কোষাধ্যক্ষ                                                    –  ১ জন

(জ) ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও কল্যাণ (ক্রীসক) সম্পাদক   – ১ জন

(ঝ) প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক                    – ১ জন

(ঞ) সদস্য                                                                   ৬ জন

                                                                       মোট = ১৫ জন

 

(ট) সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ

 সম্পাদক অথবা নির্বাহী কমিটির মনোনয়নে

উপযুক্ত সংখ্যক  (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)                        – ২ জন

                                                                সর্ব-মোট = ১৭ জন

২)     উপদেষ্টা কমিটি: ৭০ বছরের উর্দ্ধ বয়সী অনধিক ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হইবে, তন্মধ্যে (১) একজন হইবেন প্রধান উপদেষ্টা।

৩)     সাংগঠনিক কমিটিঃ অনধিক ৬৫ বছর বয়সী ৪ (চার) সদস্য বিশিষ্ট অনির্বাচিত কমিটি হইবে। এই কমিটিতে ১ জন আইসিটি বিষয়ক ও ৩ জন সদস্য-সংগ্রহ বিষয়ক সদস্য থাকিবে।

অনুচ্ছেদ – ৮ কমিটির মেয়াদকাল:

১)      বর্ণিত সকল কমিটির মেয়াদ হইবে ২ (দুই) বৎসর, অর্থাৎ কমিটি গঠনের তারিখ হইতে পরবর্তী দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার পূর্ব পর্যন্ত। উল্লেখ্য অনিবার্যকারণে দ্বি-বার্ষিক সাধারণসভা এক মাস পূর্ব অথবা পরে অনুষ্ঠিত হইতে পারিবে।

২)     কোন সদস্য সর্বোচ্চ ২ (দুই) মেয়াদে দায়িত্ব পালন করিবেন।

অনুচ্ছেদ – ৯ কমিটির কার্যাবলী:

(১)   নির্বাহী কমিটি:

ক)     প্রতি ৩ মাসে কমপক্ষে ১ টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠের উপস্থিততে কোরাম পূর্ণ হইবে।

খ)     সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভার সভাপতিত্ব করিবেন।

গ)     বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) এর ব্যবস্থা করিবে। রি-ইউনিয়ন/পিকনিক ও এজিএম একসাথে হইতে পারে।

ঘ)     প্রয়োজনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে একাধিক উপ-কমিটি গঠন করিতে পারিবেন।

ঙ)     দ্বিবার্ষিক সাধারণসভার পূর্বে  TOR সহ নির্বাচন কমিশন গঠন করিবে।

চ)     নির্বাচন কমিশন পরবর্তী নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করিবে।

ছ)     সভাপতির পদ শূন্য হইলে সহ-সভাপতি দ্বারা এবং সাধারণ সম্পাদকের পদ শূন্য হইলে সহ-সাধারণ সম্পাদক দ্বারা পূরণ হইবে।

(২)   উপদেষ্টা কমিটি:

(ক)    প্রতি বছর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(খ)    নির্বাহী কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এই কমিটির সভায় লিয়াজোঁ হিসাবে উপস্থিত থাকিবেন।

(গ)    দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় এই কমিটি গঠিত হইবে।

(ঘ)    নির্বাহী কমিটিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা/পরামর্শ দিবেন।

(৩)   সাংগঠনিক কমিটি:

(ক)    নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের সভাপতিত্বে প্রতি ৩ মাসে কমপক্ষে ১টি সভা করিবে।

(খ)    সাধারণ সদস্যগণকে হোয়াটস্-অ্যাপ/অনলাইন গ্রুপভুক্তকরণ এবং তাহাদিগকে আজীবন সদস্য হিসাবে তালিকাভুক্ত করণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(গ)    কমিটিকে সাংগঠনিক সম্পাদক তাহাদের নির্বাহী অবহিত রাখিবেন।

(ঘ)    দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার অব্যবহিত পরে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাহী কমিটি আলোচনার মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করিবে।

 

অনুচ্ছেদ – ১০ অর্থ ও হিসাব:

(ক)    কোষাধ্যক্ষ এই এসোসিয়েশনের সকল অর্থ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করিবেন এবং ইহার হিসাব রাখিবেন।

(খ)    প্রয়োজনে যৌথ ব্যাংক হিসাব খোলা যাইতে পারে।

(গ)    কোষাধ্যক্ষ এবং সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হইবে।

অনুচ্ছেদ – ১১ বিশেষ ক্ষমতা:

(ক)    সংগঠন পরিচালনার প্রয়োজনে নির্বাহী কমিটি বিধি ও বাই-ল প্রণয়ন করিতে পারিবে, তবে পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় উহা অনুমোদন করাইতে হইবে।

(খ)    গঠনতন্ত্রেও কোন সংশোধনীর প্রয়োজন হইলে উহা দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাশ করাইতে হইবে।

অনুচ্ছেদ – ১২ সংগঠনের বিলুপ্তি:

শুধুমাত্র এই উদ্দেশ্যে সাধারণ সভা আহবান করিতে হইবে এবং উপস্থিত সদস্যদেও দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে বিলুপ্ত করা যাইবে। বিলুপ্তির পর দায় পরিশোধ শেষে অবশিষ্ট সম্পদ সদস্যদেও মধ্যে বণ্টন করা বা অনুরূপ কোন সংগঠনকে দান করা যাইবে।

Click To View Constitution (PDF):

 

Scroll to Top